রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকারোক্তি: ‘তৃণমূল জিতলে তৃণমূলেই থাকতাম’, কী বললেন হুগলির সাংসদ?
ভারত নিউজ ২৪*৭
“তৃণমূল জিতলে তৃণমূলেই থাকতাম”, অকপট স্বীকারোক্তি হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। “বিজেপির সরকার না হলে আমি তৃণমূলেই থাকতাম। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল জিতলে তৃণমূলেই থাকতাম। তৃণমূল হেরে যাওয়ার পরই দল বদল করেছি”, সরল ভাবে বললেন তিনি।
হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল সরকার আবার জিতলে তৃণমূলেই থাকতাম।” তৃণমূল হেরে গিয়েছে বলেই কি দল বদল করলেন? প্রশ্নের সোজাসাপ্টা উত্তর দিলেন রচনা।
তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই। আর তো সাপোর্ট পেতাম না। যখন তৃণওমূল ছিল, তখন কেন্দ্রের সাপোর্ট ছাড়া আমি কোনও কাজ করতে পারিনি। দিদিও বলেছেন কেন্দ্র না দিলে আমি টাকা দিতে পারব না। আমাদের, রাজ্যের টাকা নেই। সেই থেকে আমি সাহায্য করতে পারছি না। তখনই দিদি বলেছিলেন।”
সাংসদ কোটা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে রচনা বলেন, “সাংসদ কোট থেকে কত করতে পারি? ৪ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা দিয়ে ৭ টা বিধানসভায় কী হয়? কিছুই হয় না। একটা ব্রিজও তৈরি হবে না।” উল্লেখ্য, রাজ্যে পালা বদলের পরই তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দেব রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।
হুগলির এনসিপিআই সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “আমি তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম বুঝি না। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গেও উন্নয়নের কাজে একসঙ্গে কাজ করব।” যদিও তাঁকে পাল্টা “সুযোগসন্ধানী ভদ্রমহিলা” বলে কটাক্ষ করেছেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এরা সব সুযোগসন্ধানী ভদ্রমহিলা। এদের কথা বলেন কেন? এরা রাজনীতিতে পচা। এর মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়ে গিয়েছে। এর তো মানুষের কাছে যায় না। এই ২০ জনকে আর ৬০ জনকে মানুষ কীভাবে ঘৃণা করছে জানেন? এরা ঘৃণার পাত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
















































