ভারত নিউজ ২৪*৭
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের উপরে থাকা বিলবোর্ড সরানো নিয়ে কলকাতা পুলিশ এবং পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে বছর ঘটনায় তদন্তকারী আধিকারিকদের নির্দেশ মেনে থানায় হাজিরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিষেক, ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ তৃণমূলের বেশ কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে শ্লীলতাহানির ধারাও।
আজ দুপুর বারোটা নাগাদ শেক্সপিয়ার সরণী থানায় পৌঁছান তিনি। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ এর পরে বেরিয়ে অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, “শাসক কোনওদিন গণতন্ত্রের শেষ কথা বলে না। মিথ্যা মামলা দিয়ে ভাবছেন দমিয়ে রাখবেন? আমাদের ১৩ জন কর্মীকে কোনও নোটিস ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে। কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। আমাদের কাছে ভিডিয়ো আছে। সেদিন পুলিশকর্মীরা ও অফিসাররা আমাদের কর্মী সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টানতে টানতে নিয়ে এসেছে। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হলে এত ভয় কীসের। ওদের যা ক্ষমতা আছে করুক। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে দমিয়ে রাখবে ভাবলে ওরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। তৃণমূলের সাইনবোর্ডে আপত্তি হবে, অ্যাকাউন্ট ফিক্স করতে হবে, এমএলএ ভাঙাতে হবে, এমপি-কে ভাঙাতে হবে, পার্টিকে ভাঙতে হবে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের অ্যারেস্ট করবে, আমাদের কর্মীদের অ্যারেস্ট করবে। ১৩ জন জেল কাস্টডিতে রয়েছে। পুরোটা অবৈধ। আপনি এইভাবে অ্যারেস্ট করতে পারেন না। ভয় পাচ্ছে, রাজনৈতিকভাবে লড়তে পারছে না। তাই এসব করছে। ওঁদের যা ক্ষমতা আছে করুক।”
এর পাশাপাশি ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে যে ফায়ার অডিটের জন্য দমকল দপ্তরের আধিকারিকরা গিয়েছিলেন সেই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, “তারাপীঠে যখন আগুনে পুড়ে মানুষের মৃত্যু হল, আলিপুরে যখন আগুনে পুড়ে ৪০০০ ইভিএম ছারখার হয়ে গেল, তখন কোনও ফায়ার অডিট হয়নি।”















































