Sign In

Latest Posts
।।Suvendu Rajnath : বাংলায় জাহাজ নির্মাণে ৩৪০০ কোটির ৫ প্রকল্পের সূচনা, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বের প্রশংসায় রাজনাথ সিং।।Agniveer : অগ্নিবীরদের নিয়ে ‘অর্জুন বাহিনী’ গড়ার ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর, নতুন পরিকল্পনায় জোর।।Samik on Annapurna Yojana : ‘অন্তর্ঘাতের পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সমস্যায় ফেলেছে সিস্টেমের বিচ্যুতি’ অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা না ঢোকার কারণ ব্যাখ্যা রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের।।দক্ষিণ দমদম ও বিধাননগরে আটকে থাকা নির্মাণে বড় সিদ্ধান্ত, পুরনো অনুমোদিত নকশায় কাজ চলবে, সেপ্টেম্বর থেকে বেআইনি বহুতল ভাঙার ঘোষণা বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির।।‘Re-Imagining Bengal’: বাংলার শিল্প-বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে কলকাতায় ৫০০-রও বেশি নেতৃত্বের সম্মেলন।।Suvendu on JU : “যাদবপুরে এক শ্রেণির টুকরে টুকরে গ্যাং রয়েছে, যারা রাষ্ট্রবিরোধী, আমরা যাদবপুরের ভিতরে এবং বাইরে রাষ্ট্রবাদ প্রতিষ্ঠা করব” হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর।।Amit Shah Gorkhaland : পাহাড় সমস্যার ‘স্থায়ী সমাধানের’ লক্ষ্যে বৈঠক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, প্রাক্তন বিএসএফ প্রধানের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ কমিটি।।Samik against Sharmila : ‘হাজার হাজার মন্দির ধ্বংসকারী ও ধর্ষক তৈমুরের নামের ছেলে রয়েছে ওনার নিজের পরিবারে, বন্দেমাতরম নিয়ে উনি চুপ থাকাই উচিত’ শর্মিলা ঠাকুরকে তীব্র আক্রমণ শমীকের।।Amit Shah Suvendu: ‘শুভেন্দু আমার বন্ধু, ওঁকে আমি বুঝি’, বাংলায় এসে বললেন অমিত শাহ।।Dilip Ghosh JU Surgical Strike: ‘যাদবপুরে দেশবিরোধী স্লোগান উঠলে ফের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ হতে পারে’ হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের

Samik on Annapurna Yojana : ‘অন্তর্ঘাতের পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সমস্যায় ফেলেছে সিস্টেমের বিচ্যুতি’ অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা না ঢোকার কারণ ব্যাখ্যা রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের

Bharat Newz Media Desk / bharatnewz247.com

More...

অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা না ঢোকার কারণ ব্যাখ্যা শমীক ভট্টাচার্যের, ‘সিস্টেমের বিচ্যুতিও দায়ী’

ভারত নিউজ ২৪*৭

আবেদন করার পরেও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ার চেয়ে অভিযোগ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেছে, সেই পরিস্থিতির জন্য কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনায় বিচ্যুতি রয়েছে। তবে অন্তর্ঘাত রয়েছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, অন্নপূর্ণা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মনে করছেন, ‘ষড়যন্ত্র’ হয়েছে।

 

শনিবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে এই ষড়যন্ত্রের তথ্য শুনিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি অন্নপূর্ণা যোজনা এর টাকার না পাওয়া নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে তার কারণ হিসেবে তৃণমূলের লোকজনকেই দায়ী করেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

 

এই পরিস্থিতিতে অন্নপূর্ণার টাকা পৌঁছাতে দেরি হওয়ার পেছনে ‘সিস্টেমের গলদ’ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বা ‘সাবোতাজ’-এর ইঙ্গিত দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে একই সঙ্গে উদ্বেলিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সমস্ত যোগ্য প্রাপকই শেষ পর্যন্ত তাঁদের বরাদ্দ অর্থ পেয়ে যাবেন।

 

রবিবার হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডে বিজেপির আয়োজিত ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহাঅভিযান’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন শমীক। বিজেপির ওই ‘প্রশিক্ষণ শিবিরে’ হাওড়া সদরের বিজেপি সভাপতি গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য-সহ বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারী এবং ‘কার্যকর্তা’ উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন রাজ্যের পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই, বিধায়ক সঞ্জয় সিংহ এবং রুদ্রনীল ঘোষও। অন্নপূর্ণা নিয়ে বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ‘দু’এক জায়গায় বিচ্যুতি আছে। সেটা সিস্টেমের কারণে। বহু জায়গায় অন্তর্ঘাত করারও চেষ্টা করা হয়েছে। কিছু জায়গায় ফর্ম ফিল আপ করতেও কেউ কেউ গাফিলতি দেখিয়েছেন।’ অন্তর্ঘাতের মূলে কারা রয়েছে তা যদিও পরিষ্কার করেননি বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তবে তাঁর দাবি, খুব শীঘ্রই আরও ৫০ লক্ষ মহিলা ওই প্রকল্পের আওতায় টাকা পাবেন। যোগ্যদের কেউ-ই বঞ্চিত হবেন না। তিনি এ-ও জানান, কোথাও কোথাও ওই প্রকল্প বানচাল করার চেষ্টা হয়েছে। তার পরেও প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছেন। তবে অতীতের দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি যে বরদাস্ত করা হবে না, তা স্পষ্ট করে শমীক বলেন, ‘আমাদের সময়ে তৃণমূল আমলের মতো পুরুষদের ভুয়ো উপায়ে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। কিছু জায়গায় ব্যবস্থার সমস্যা ও সাবোটাজ করার চেষ্টা হয়েছে বলেই এই সমস্যা। অন্নপূর্ণা যোজনায় আরও প্রায় ৫০ লক্ষ মহিলা যুক্ত হচ্ছেন। মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশের টাকা পৌঁছানো বাকি রয়েছে, খুব শীঘ্রই সবাই নিজেদের হকের টাকা পেয়ে যাবেন।’ তৃণমূল সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভান্ডারে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শমীক জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা যাতে সত্যিকারের উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছোয়, তার জন্য তালিকা যাচাই বা স্ক্রিনিং-এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তাঁর কথায়, ‘বছরে ৩৬ হাজার টাকা তো কম অর্থ নয়। প্রকল্পের সুবিধা যাতে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরাই পান, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।’

 

Top News...

More...

Top News...

RECOMMENDED FOR YOU.....

RECOMMENDED FOR YOU.....