Sign In

Latest Posts
।।ভোটে প্রার্থী মাত্র ১৫, অনুদান প্রায় ১,৭০১ কোটি! গুজরাতের ৬ ‘অচেনা’ দলকে ঘিরে উঠল বড় প্রশ্ন।।ডেঙ্গি মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে বিশেষ অভিযান, ৩ দিনেই হাজারের বেশি এলাকা পরিষ্কার: পরিসংখ্যান পেশ শুভেন্দু অধিকারীর।।Samik on Jadavpur : ‘যারা লিখবে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে, সেটা পুলিশ দেখবে’ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করলেন শমীক ভট্টাচার্য।।Suvendu Adhikari : ‘একটা বিষয় কম্প্রোমাইজ করা উচিত নয়, যাঁরা রাষ্ট্রের ভিতরে থেকে রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, দেশপ্রেমে প্রশ্ন তোলে..’ শিক্ষক দিবসে বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।।ফিরহাদের পর প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতেও দুর্নীতিদমন কমিশনের হানা, তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য।।Bengal Housing Policy: সরকারি ফ্ল্যাট ও জমিতে আর লিজ নয়, এবার থেকে ফ্রি-হোল্ড মালিকানা; নিউ টাউনসহ রাজ্যে সাশ্রয়ী আবাসনের পরিকল্পনা।।Suvendu West Bengal Tourism: পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনের হারানো গৌরব ফেরাতে নতুন লোগো উদ্বোধন শুভেন্দুর।।Suvendu on Uttam Kumar kumar : নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের ভূমিপুজো মুখ্যমন্ত্রীর, পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা হচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী।।Abhishek Banerjee : অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়, দাবি করে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিশ দমকল দফতরের।।Suvendu Adhikari: ‘ছাত্রের কপালের চন্দনের টিকা মুছে দিচ্ছেন শিক্ষক!’ শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে সরব শুভেন্দু

ভোটে প্রার্থী মাত্র ১৫, অনুদান প্রায় ১,৭০১ কোটি! গুজরাতের ৬ ‘অচেনা’ দলকে ঘিরে উঠল বড় প্রশ্ন

Bharat Newz Media Desk / bharatnewz247.com

More...

ভোটে উপস্থিতি সামান্য, অনুদানে বিপুল অঙ্ক

ভারত নিউজ ২৪*৭

নির্বাচনে কার্যত নামমাত্র অংশগ্রহণ। অথচ এক অর্থবর্ষে অনুদান বাবদ আয় প্রায় ১,৭০১ কোটি টাকা। গুজরাতভিত্তিক ছ’টি নিবন্ধিত কিন্তু অস্বীকৃত রাজনৈতিক দলের (Gujarat Political Parties) আর্থিক হিসাব ঘিরে এমনই প্রশ্ন সামনে এসেছে বিবিসি হিন্দির একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।

 

প্রতিবেদনটি অবশ্য ওই দলগুলির বিরুদ্ধে কোনও আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ বা সরাসরি অভিযোগ করেনি। বরং বিপুল অনুদান এবং সীমিত নির্বাচনী কার্যকলাপের মধ্যে যে ব্যবধান দেখা যাচ্ছে, সেটিই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

 

২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ছ’টি দলের মোট অনুদান ছিল প্রায় ১,৭০০.৭৮ কোটি টাকা। এই অঙ্ক বিজেপিকে বাদ দিয়ে কংগ্রেস, সিপিএম, আম আদমি পার্টি, বিএসপি এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি—এই পাঁচটি জাতীয় দলের সম্মিলিত আয়ের প্রায় ২০০ কোটি টাকা বেশি।

 

২০২৪ লোকসভায় প্রার্থী মাত্র ১৫

বিবিসির অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) এই ছ’টি দল মিলিয়ে মাত্র ১৫ জন প্রার্থী দিয়েছিল। বিপরীতে বিজেপি বাদে ওই পাঁচ জাতীয় দল মিলিয়ে প্রার্থী দিয়েছিল ৮৯৩ জন।

 

সবচেয়ে বেশি অনুদান পেয়েছে আম জনমত পার্টি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দলটির অনুদান বাবদ আয় ছিল ৬২০ কোটি টাকা। আগের অর্থবর্ষে সেই অঙ্ক ছিল ২১৬ কোটি টাকা। অথচ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দলটি মাত্র একজন প্রার্থী দিয়েছিল।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে পটনায় অনামিকা পাসওয়ানের নেতৃত্বে দলটির প্রতিষ্ঠা হয়। পরে সদর দফতর গুজরাতে স্থানান্তরিত হয়। অনামিকা পাসওয়ান বর্তমানে বিজেপির বিহার ইউনিটের সহ-সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, দলটি আহমেদাবাদে চলে যাওয়ার পর তিনি পদত্যাগ করেন।

 

দ্বিতীয় স্থানে সত্যবাদী রক্ষক পার্টি

 

অনুদানের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আনন্দভিত্তিক সত্যবাদী রক্ষক পার্টি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দলটি ৩৩০.৫৫ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে প্রায় ৮.৪৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল। আরও প্রায় ৩১৬ কোটি টাকা সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। এই দলও নির্বাচনে একজন প্রার্থী দিয়েছিল।

 

বাকি চার দলের মধ্যে স্বতন্ত্রতা অভিব্যক্তি পার্টি ২১৯.৬৯ কোটি, নিউ ইন্ডিয়া ইউনাইটেড পার্টি ২০০.৬৯ কোটি, ভারতীয় ন্যাশনাল জনতা দল ১৯১.৬১ কোটি এবং গরিব কল্যাণ পার্টি ১৩৮ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

অফিস বন্ধ, প্রশ্ন আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে

 

বিবিসির অনুসন্ধানে এই দলগুলির অধিকাংশের অফিস বন্ধ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অনেক পদাধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি, আবার কেউ কেউ মন্তব্য করতে চাননি।

 

এই পরিস্থিতিতেই রাজনৈতিক দলের আর্থিক স্বচ্ছতা (Political Funding Transparency) নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস বা ADR-এর আগের রিপোর্টেও গুজরাতের কয়েকটি অস্বীকৃত রাজনৈতিক দলের আয় বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছিল।

 

২০২৫ সালের ADR রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পাঁচটি গুজরাতভিত্তিক নিবন্ধিত অস্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত আয় ছিল প্রায় ২,৩১৬ কোটি টাকা। ওই দলগুলি দুইটি লোকসভা এবং একটি বিধানসভা নির্বাচনে মিলিয়ে মাত্র ১৭ জন প্রার্থী দিয়েছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল।

 

বিরোধীদের প্রশ্ন, কোথায় যাচ্ছে টাকা?

 

বিপুল অনুদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, যেসব দলের কোনও সাংসদ বা বিধায়ক নেই, তারা এত বিপুল অর্থ কোথায় খরচ করছে?

 

আরজেডির রাজ্যসভা সাংসদ মনোজ কুমার ঝাও বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে এগুলি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্ন হিসেবেই এসেছে। সংশ্লিষ্ট ছ’টি দলের বিরুদ্ধে আর্থিক অপরাধের কোনও প্রমাণ ওই বিবিসি প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।

এরই মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে CBDT-ও কিছু নিষ্ক্রিয় নিবন্ধিত অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল (RUPP) ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভুয়ো আয়কর রিফান্ডের দাবির বিষয়ে সতর্ক করেছিল। তবে গুজরাতের ওই ছ’টি দলের বিরুদ্ধে CBDT-র সেই অভিযোগ সরাসরি প্রযোজ্য—এমন কোনও দাবি এই অনুসন্ধানে করা হয়নি। ফলে অনুদানের পরিমাণ, নির্বাচনী উপস্থিতি এবং আর্থিক স্বচ্ছতা—এই তিনটি বিষয়ই এখন নতুন করে নজরে।

 

Top News...

More...

Top News...

RECOMMENDED FOR YOU.....

RECOMMENDED FOR YOU.....