ভারত নিউজ ২৪*৭
এক ছাত্র অভিযোগ করেছে, তার মাথায় চন্দনের টিকা মুছিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষক। বলছেন, মুখ ধুয়ে এস, টিকা নিয়ে ক্লাসে আসা যাবে না। এই মাইন্ডসেট! কে টিকা রাখবে, কে তুলসী পরবে – সবই পরম্পরা, ঐতিহ্য। এভাবেই আজ গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিগত কয়েকটি সরকারের আমলে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সঠিক সময়ে রাজ্যে পরিবর্তন এসেছে বলেই আজ আমরা বেঁচে গেছি, নয়তো রাজ্যে ইসলামিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়ে যেত! একটা সময়ে বামেরা বাংলার প্রচার-প্রসারে বাধা দিয়েছে। তৃণমূল যে শিক্ষা ব্যবস্থা শুরু করেছিল, তাতে রাষ্ট্রবাদ-দেশপ্রেম হারিয়ে যেতে বসেছিল। মা কে আম্মা, আকাশ কে আসমান – প্ল্যান করে ভাষার বিকৃতি করা হয়েছিল। এমনভাবে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছিল, যে শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বিদ্যাসাগর বা বিবেকানন্দ ভাবেনি।
পশ্চিমবঙ্গের বুকে বিদ্যা ভারতীর স্কুলগুলিতে দেশপ্রেম এবং সংস্কারের সংমিশ্রণ ফেরানোর জন্য তিনি পরামর্শ দেন, আমি চাই, আগামী এক বছরের মধ্যে বিদ্যা ভারতী ১০০০ তৈরি হোক। গোশালা তৈরি করুন, গীতা বিতরণ করুন। ভারতীয় সংস্কৃতির পরম্পরা বজায় রাখুন।
বাংলায় ইসলামী শিক্ষা
বিগত সিপিএম এবং তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির পাঠ্যক্রমে ইসলামী শিক্ষা চালু করার জন্য চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একটা সময়ে বামেরা বাংলার প্রচার-প্রসারে বাধা দিয়েছে। তৃণমূল যে শিক্ষা ব্যবস্থা শুরু করেছিল, তাতে রাষ্ট্রবাদ-দেশপ্রেম হারিয়ে যেতে বসেছিল। মা কে আম্মা, আকাশ কে আসমান… প্ল্যান করে ভাষার বিকৃতি করা হয়েছিল। এমনভাবে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছিল, যে শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বিদ্যাসাগর বা বিবেকানন্দ ভাবেনি।
শিশুমনে বিভাজন ঘটানো হয়েছিল। টাটাদের ইতিহাস ছিল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথা ছিল, অথচ শ্যামাপ্রসাদের পশ্চিমবঙ্গ তৈরির ইতিহাস ছিল না। সঠিক সময়ে পরিবর্তন এসেছে। সঠিক সময়ে আমরা বেঁচে গিয়েছি। বাংলাদেশের ইসলামিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কোনও তফাৎ থাকত না।’














































