দুর্গাপুজোর অষ্টমী-নবমীতে আমিষ নিয়ে শমীকের স্পষ্ট বার্তা, ‘অষ্টমীতে লুচি, নবমীতে পাঁঠার মাংস—বাঙালি সেটাই খাবে’
ভারত নিউজ ২৪*৭
‘নবমীর দিন বাঙালি সাধারণত পাঁঠার মাংস খায়। অষ্টমীর দিন লুচি খায়.. সেটাই খাবে।’ সম্প্রতি দুর্গাপুজো ও নবরাত্রির সময়ে নিরামিষ খাবার খাওয়ার যে ‘পরামর্শ’ বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বাগেশ্বর বাবা দিয়েছিলেন, তা উড়িয়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে চায়ের দোকান.. এই বিষয়টা বর্তমানে উঠে এসেছে বাঙালির চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফ থেকে, পুজোয় সময়ে আমিষ খাবার বিক্রি করা এবং মণ্ডপের বাইরে আমিষ খাবারের স্টল বসা নিয়ে কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, এমনটা শোনা গেলেও, সেই খবরে কোনও শিলমোহর পড়েনি। সরকারের তরফ থেকেও এমন কোনও নির্দেশনা আসেনি।
তবে সম্পর্কে বাগেশ্বর ধামের পীঠাধীশ্বর ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর একটি মন্তব্য ঘিরে সম্প্রতি শুরু হয়েছে জল্পনা। দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খাবার খাওয়ার বিরোধিতা করেছেন তিনি। এবার দুর্গাপুজোয় সত্যিই কি আমিষ খাবার খাওয়ার ওপর বিধিনিষেধ জারি হতে চলেছে?
এই বিষয় নিয়েই এবার মুখ খুলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানালেন,য়’আমার তো বউ নেই, বাবা-মাও উপরে চলে গিয়েছেন। নাহলে আমি আমার বাড়িতেই নিমন্ত্রণ করে আপনাকে কচি পাঁঠার মাংস খাওয়াতাম। কিন্তু আপনি যদি আমায় নবমীর দিন পাঁঠার মাংস খাওয়ার নিমন্ত্রণ করেন, আমি যাব। সঙ্গে অনেক বিজেপি কর্মীরাও যাবেন।’
পাশাপাশি বাগেশ্বর ধামের পীঠাধীশ্বর ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর পুজোয় সময়ে আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাগেশ্বর বাবা অন্য পৃথিবীর মানুষ, ওঁর অনেক ভক্ত রয়েছেন। গোটা দেশে উনি পরিচিত। আমিও ওঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম, খুব ভাল লেগেছে। আলাদা একটা জ্যোতি রয়েছে। ওঁর সঙ্গে দেখা করলাম, নমস্কার করলাম। উনিও প্রতি নমস্কার করলেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কে কি খাবেন, কে কি খাবেন না… এটা নির্ধারণ করে দেওয়ার জায়গায় উনি নেই। উনি বলতেই পারেন নিজের মতামত। আজকাল তো বহু মানুষ নিরামিশাষী হয়ে যাচ্ছেন, কেউ কেউ ভেগান হয়ে যাচ্ছেন.. এগুলো গোটা দুনিয়াতেই চলতে থাকবে। একজন সন্ন্যাসী হিসেবে উনি ওনার মত রাখতে পারেন কিন্তু তার মানে এটা নয় যে, আমরা কী খাব আর কী খাব না.. সেটা উনি ঠিক করে দেবেন। আপনারা এমন বলছেন, উনি যেন ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও উচ্চপদে রয়েছেন!’













































